বাংলাদেশ 

ঢাকা সিটিতে করোনায় আক্রন্তের সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়ালো, শীর্ষে মিরপুর

জাগরণী ডেস্ক:
প্রতিদিনই করোনার ভয়াল থাবায় ঝরে যাচ্ছে অসংখ্য প্রাণ। দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনি লম্বা হচ্ছে মৃত্যুর মিছিলও। একক এলাকা হিসেবে সারাদেশের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে মিরপুরে। এই এলাকায় শনাক্ত হয়েছে ৭২৫ জন করোনা রোগী। সিটির মধ্যে শীর্ষে থাকা ঢাকায় শনাক্ত ২০ হাজার ৬৯৮ জন। সরকারের রোগতত্ত¡, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) প্রকাশিত সবশেষ তালিকা থেকে এ তথ্য পাওয়া যায়।
২০০ জনের ওপরে করোনা ভাইরাস রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৫টি এলাকায়। এর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে মিরপুর। এই এলাকায় করোনা রোগী ৭২৫ জন। এর পরেই অবস্থান করছে উত্তরা। এখানে শনাক্ত হয়েছে ৪৯৫ জনের। তৃতীয় স্থানে রয়েছে মহাখালী, ৪৭১ জন। মোহাম্মদপুরে ৪৪৫ জন, মুগদায় ৪৪২ জন এবং যাত্রাবাড়ীতে ৪০৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। আবার ধানমন্ডিতে ৩৩৪ জন, কাকরাইলে আছে ৩০১জন। এছাড়া তেঁজগাওয়ে ২৭৪ জন, মগবাজারে ২৭১ জন, খিলগাঁওয়ে ২৪১ জন, রামপুরায় ২৩২ জন, লালবাগে ২২৫ জন, রাজারবাগে ২২২ জন ও বাড্ডায় শনাক্ত হয়েছে ২১২ জন।
জেলার পরিস্থিতি:
সারাদেশে জেলাভিত্তিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, করোনায় আক্রান্ত সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রামে। এ জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার ১১৪ জন। তারপরেই অবস্থান করছে নারায়ণগঞ্জ। এ জেলায় শনাক্ত রোগী ২ হাজার ৬৮২ জন। তৃতীয় স্থানে রয়েছে ঢাকা জেলা (ঢাকা সিটির হিসাব এর বাইরে। এখানে শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৫৫৪ জন।
এছাড়া কুমিল্লায় ১ হাজার ২০৬ জন, গাজীপুরে ১ হাজার ১৬৫ জন, মুন্সিগঞ্জে ১ হাজার ১৩০ জন, কক্সবাজারে ৯৬৯ জন, নোয়াখালীতে ৮৬৫ জন, সিলেটে ৬৭৬ জন, ময়মনসিংহে ৬১৬ জন, রংপুরে ৫১৬ জন, জামালপুরে ৩০৬ জন, নেত্রকোনায় ২৭৫ জন, বগুড়ায় ২৬৯ জন ও নওগাঁয় ২১২ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। বিভাগভিত্তিক সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হয়েছে ঢাকায়। এ বিভাগে মোট শনাক্ত হয়েছে ২৯ হাজার ২২১ জন। এর মধ্যে ঢাকা সিটিতে শনাক্ত হয়েছে ২০ হাজার ৬৯৮ জন। আর ৫০৭ জন শনাক্ত হওয়ায় তালিকায় সবচেয়ে নিচে আছে বরিশাল বিভাগ।
দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৭১ হাজার ৬৭৫ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৯৭৫ জনের। এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৫ হাজার ৩৩৬ জন।

Please follow and like us:

Related posts

2 Thoughts to “ঢাকা সিটিতে করোনায় আক্রন্তের সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়ালো, শীর্ষে মিরপুর”

  1. nazmul hassan

    ঝিনাইদহে সালেহা বিবির মাথা গোজার ঠাঁই নেই

    মোঃনাজমুল হাসান,
    কালীগঞ্জ , ঝিনাইদহঃ

    ভাঙ্গাচোরা বেড়ার ঘরে ষাটোর্ধ সালেহা বিবির সংসার। খেজুরের বেড়া আর উপরে পলিথিনের ছাউনির রান্নাঘর। শোবার ঘরের দেয়াল নেই। সাপ, ব্যাং আর কেঁচোর সাথে নিত্য যুদ্ধ। গ্রামের অনেকেই সরকারী ভাবে বাড়িঘর পেয়েছেন। কিন্তু সালেহা ও ছামেদ আলী দম্পত্তির কপালে জোটেনি সরকারী বাড়ি। সামন্য বৃষ্টি আর দমকা বাতাসে ঘরের ছাউনির সাথে নিজেদের প্রাণও উড়ে যায়। এ ভাবেই এই বৃদ্ধ দম্পত্তি বসবাস করছেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামে। তাদের চোখে কোন রঙ্গিন স্বপ্ন নেই। তারা চাই একটু নির্ভরতা। মাথা গোজার ঠাঁই। জরাজীর্ন ছাপড়া ঘরে মানবেতর জীবনযাপন কাটাচ্ছেন তারা। কিছুদিন আগে মাথা গোজার একমাত্র ছাপড়া ঘরটি ঝড়ে লন্ড ভন্ড করে দিয়ে গেছে। দু’বেলা দু মুঠো খাবারের সন্ধান করতে গিয়ে ঘর মেরামত করার চিন্তা তারা ভুলেই গেছেন। সালেহা বিবি বলেন, চেয়ারম্যান আমাদের চাল ডাল দিয়েছে। স্বামীর বয়স্ক ভাতা হয়েছে। তা দিয়ে এবং পরের বাড়ি কাজ করে সংসার চলছিল। কিন্তু ঝড়ে মাথা গোজার একমাত্র জায়গাটুকু লন্ডভন্ড করে দিয়েছে। তিনি জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে সরকারী ঘর দাবী করেছেন।

    বিষয়টি নিয়ে হলিধানী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান মতি জানান, রামচন্দ্রপুর গ্রামের ওই পরিবারকে আমি চিনি। করোনাকালীন সময়ে তাদের অনুদান দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সালেহা বিবির স্বামী ছামেদ আলীর বয়স্ক ভাতা করে দেওয়া হয়েছে। ঘরের ব্যাপারে খোজ নিয়ে ব্যবস্থা নিবেন বলে তিনি আশ্বাস দেন।

    1. jagoronitvhd

      Please inbox it on our Facebook page, thanks.

Leave a Comment

করোনাভাইরাস সতর্কতায়

বারে বারে হাত ধুই, হাঁচি কাশিতে রুমাল/টিস্যু ব্যবহার করি, ময়ালা হাতে হাত মুখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকি। সরকারী নির্দেশনা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি, ঘরে থাকি।