খেলাধুলা 

ঢাকায় আসায় মালদ্বীপ ফুটবল দল দেশে ঢুকতে পারছে না

ঢাকায় আসায় মালদ্বীপের ফুটবল দলের সদস্যরা এখন নিজ দেশেই প্রবেশের অনুমতি পাচ্ছেন না। মালদ্বীপ সরকার তাদেরকে সাফ জানিয়ে দিয়েছে, করোনার কারণে ঢাকা থেকে  দেশে আসতে গেলে তাদেরকে ১৪ দিন কলম্বোতে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। সুস্থ প্রমাণ হলে তাদেরকে দেশে ঢুকতে দেয়া হবে। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে  মালদ্বীপে সরাসরি কোন ফ্লাইট নাই। তাদেরকে শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বো হয়ে মালদ্বীপ পৌঁছতে হয়। মালদ্বীপ সরকারের সিদ্ধান্ত হচ্ছে ঢাকা ত্যাগ করার পর তাদেরকে অবশ্যই ১৪ দিন কলম্বোতে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। বাংলাদেশ সফর শেষে টিসি স্পোর্টসের খেলোয়াড়রা ঢাকা ছেড়ে যাবার পর এখন কলম্বোতে আটকা পড়েছেন। দেশে ফিরতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মালদ্বীপ সরকার। এএফসি কাপের ম্যাচ খেলতে বাংলাদেশ সফরে এসে বেশ বেকায়দায় পড়ে গিয়েছে মালদ্বীপের টিসি স্পোর্টস ক্লাব। বুধবার এমনিতেই বাংলাদেশের ক্লাব বসুন্ধরা কিংসের কাছে ৫-১ গোলে হেরেছে তারা। খেলা শেষ করে ১৩ মার্চ ঢাকা ছাড়লেও এখনই দেশে প্রবেশ করতে পারছেন না ক্লাবটির খেলোয়াড়েরা। বাংলাদেশ সফর করায় করোনাভাইরাস আতঙ্কে সতর্কতা হিসেবে মালদ্বীপ সরকার দেশে ফিরতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

বাংলাদেশ সফর শেষে টিসি স্পোর্টস ক্লাবের দেশে ফেরার কথা ছিল কলম্বো হয়ে। এখন দলটি অবস্থান করছে কলম্বোতেই। বাংলাদেশ সফরের কারণে এখন সেখানে দুই সপ্তাহ অবস্থান শেষে মালদ্বীপে ফিরতে হবে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে মালদ্বীপ সরকার এই আইন জারি করেছে। কলম্বোতে দুই সপ্তাহ অবস্থানকালীন খরচও বহন করবে সরকার। কলম্বো থেকে দলীয় সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে বিষয়টি।

টিসি দলীয় সূত্রমতে, মালদ্বীপ সরকার চারটি দেশ ভ্রমণের ওপর বিধি-নিষেধ জারি করেছে। চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, ইতালির সঙ্গে আছে বাংলাদেশের নামও। দলের সঙ্গে থাকা এক স্টাফ কলম্বো থেকে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ১৪ দিন কলম্বো থেকে আমাদের দেশে প্রবেশ করতে হবে। বাংলাদেশ সফর করায় আমাদের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। ঢাকা আসার আগে আমাদের বিষয়টি জানা ছিল না। আমরা জানতে পারি ম্যাচের দিন । এ ছাড়া দলের কারও স্বাস্থ্য ঝুঁকি নেই বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। তারপরও দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপ তাদের কাউকে দেশে নিচ্ছে না। দলের তিন বিদেশি ফুটবলার পাকিস্তান, মিসর ও ক্যারিবীয় দ্বীপ সেন্ট ভিনসেন্টের নাগরিক কলম্বোতে দলের অন্য সদস্যদের সঙ্গে ঢাকা থেকে যোগ দেবেন। আগামী এপ্রিল মাসের শুরুতে তারা মালদ্বীপে যেতে পারবেন বলে আশায় বুক বেধে আছেন সকলে।

Please follow and like us:

Related posts

Leave a Comment

করোনাভাইরাস সতর্কতায়

বারে বারে হাত ধুই, হাঁচি কাশিতে রুমাল/টিস্যু ব্যবহার করি, ময়ালা হাতে হাত মুখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকি। সরকারী নির্দেশনা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি, ঘরে থাকি।